পঞ্চম সংখ্যা
Showing posts with label পঞ্চম সংখ্যা. Show all posts

কুটুম কাটাম - শিল্পী দেবাঙ্গী বক্সি

“হে নীলিমা নিষ্পলক, লক্ষ বিধিবিধানের এই কারাতল 
তোমার ও মায়াদণ্ডে ভেঙেছ মায়াবী।”
(নীলিমা, জীবনানন্দ দাশ)


“মাৎসর্য-বিষদশন, কামড়ে রে অনুক্ষণ! 
এই কি লভিলি লাভ,অনাহারে,অনিদ্রায়?”
(আত্মবিলাপ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত)


“প্রতিটি শিরা অশ্রুস্রোত বয়ে নিয়ে যাচ্ছে হৃদয়াভিগর্ভে 
শাশ্বত অসুস্থতায় পচে যাচ্ছে মগজের সংক্রামক স্ফুলিঙ্গ 
মা, তুমি আমায় কঙ্কালরূপে ভূমিষ্ঠ করলে না কেন?”
(প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার, মলয় রায়চৌধুরী)


কোন সে সত্তা! - সঞ্চয়িতা দাস

রূপোলী জ্যোৎস্না!
শীতল হাওয়ার শিহরণ সারা শরীরে!
মনটা হারায় ভরা গোধূলির দিনগুলোতে—
সুচিভেদ্দ্য নিকষ কালো অন্ধকারের আকাশে;
মায়াবী চাঁদের মত দীপ্ত তোমার মুখ!
ঠিক যেভাবে চাঁদ তার রূপোলী রাঙতায়—
আষ্টেপৃষ্ঠে মুড়ে রেখেছে গোটা প্রকৃতিটাকে,
সেইভাবেই তোমার মধ্যে মিশে যেতে ইচ্ছে হয়,
অন্তরের পরতে পরতে অনুভব করি তীব্র ভালোবাসা!
সারা গায়ে মেখে নিই থই থই জ্যোৎস্না।
আর চারপাশের এই ধূসরতা প্রশ্ন করে ওঠে—
কোন সত্তাকে ঘিরে এই উষ্ণতা?



চিত্রালংকরণ - কর্ণিকা বিশ্বাস

হঠাৎ দেখা - সই

প্রতিদিন নীরা,অন্তত আধ ঘণ্টার জন্য হলেও এখানে এসে দাঁড়ায়। এটা তার বড় প্রিয় জায়গা। এই উপর থেকে ওই গহীন খাদের দিকে চেয়ে থাকতে তার বেশ লাগে… কত রহস্য, কত অন্ধকার লুকিয়ে আছে এর মধ্যে — ঠিক তার মনের খাদের মতন।

প্রায় ৪৫ মিনিট আগে এসেছে। এখানে তেমন লোকজন বা টুরিষ্ট আসে না। হাতঘড়িটা দেখে নিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তায় পা বাড়াতে গিয়েই দেখতে পেল… আকাশকে। 

হঠাৎই যেন চলন্ত জীবনটা কেউ রিমোটের পজ বাটানে ক্লিক করে রিওয়াইন্ড মোডে নিয়ে যাচ্ছে… আর একটার পর একটা স্মৃতি ফ্ল্যাশব্যাকে দেখতে পাচ্ছে। নতুন গড়ার স্বাদ, বেড়ে ওঠা, ভাঙনের শুরু, শব্দবিহীন শেষ হয়ে যাওয়া একটি অধ্যায় যেখানে রাগ, জেদ আর ভুল বোঝাবুঝি হারিয়ে দিয়েছিল ৬টা বসন্ত পেরিয়ে আসা ভালবাসাকে।